ফুটবলারের ঝলকে উড়ে গেলো সাদা-কালো

0
123
#

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রথমবারের মতো নিজেদের হোম ভেন্যুতে মুখোমুখি হয়েছিলো বসুন্ধরা কিংস ও মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। তবে ঘরের মাঠে দিনটা ভালো হয়নি মোহামেডানের। কেননা বসুন্ধরা কিংসের তিন লাতিনের একক ছন্দের ঝলকে উড়ে যায় সাদা-কালো জার্সিধারীরা।

#

আজ সোমবার কুমিল্লার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে ৪-১ গোলের ব্যবধানে হার নিয়ে মাঠ ছাড়ে ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ক্লাব মোহামেডান।

বসুন্ধরার হয়ে জোড়া গোল করেন রাউল বেসেরা, এছাড়াও একটি করে গোল করেন রবসন রবিনো ও জোনাথান ফার্নান্দেস। মোহামেডানের হয়ে একটি গোল শোধ করেন মোহাম্মদ অ্যাবিওলা নুরাত।

ম্যাচের তৃতীয় মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারতো কিংস। দলের তিন লাতিন ফুটবলারের জমাট আক্রমণ ঠেকিয়ে দিয়ে দলকে রক্ষা করেন মোহামেডান গোলরক্ষক হাবিব বিপুর। তার দারুণ দক্ষতায় গোল বঞ্চিত হতে হয় বসুন্ধরাকে।

দশম মিনিটের মাথায় এগিয়ে যায় বসুন্ধরা। ডি বক্সের ভিতরে ডান পাশ থেকে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ফার্নান্দেজের সঙ্গে মুভ অন পাসে দারুণ হেডে বল জালে জড়ান আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড রাউল বেসেরা।

কিংসকে বেশিক্ষণ লিড ধরে রাখতে দেয়নি শন লেনের মোহামেডান। ২২তম মিনিটেই সমতায় ফিরে সাদা-কালো জার্সিধারীরা। ডি বক্সের বাম দিক থেকে আতিকের লম্বা থ্রো থেকে আসা বল লুফে নিতে ব্যর্থ হন আনিসুর রহমান জিকো। মাটিতে গড়িয়ে পড়ার আগে ডান পায়ের শটে দলকে সমতায় ফেরান মোহামেডানের নাইজেরিয়ার মিডফিল্ডার নুরাত।

সমতায় ফিরেই বেশ আক্রমণাত্মক খেলতে থাকে মোহামেডান। বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও বসুন্ধরার রক্ষণকে পরাস্ত করতে পারেনি তারা।

৪৪তম মিনিটে সোলেমন দিয়াবেতের ফ্রি-কিক সরাসরি পোস্টে লাগলে গোল থেকে বঞ্চিত হতে হয় মোহামেডানকে। তবে এক মিনিট পরেই পাল্টা আক্রমণে আবারও লিড নেয় বসুন্ধরা কিংস। মাঝ মাঠ থেকে রবসনের ড্রিবলিং মাঝখানে ফার্নান্দেজের সঙ্গে একবার ওয়ান-টু করে ছুটে যান ডি বক্সে। ছয় গজের বক্সের পাশ থেকে চিপ শটে গোল করেন দলকে এগিয়ে নেন রবসন। এই গোলের মধ্য দিয়ে চলতি লীগে নিজের পঞ্চম গোলের দেখা পেলেন এই ব্রাজিলিয়ান।

প্রথমার্ধে মোহামেডান ও কিংস সমানে সমান খেললেও দ্বিতীয়ার্ধের সবটুকু আলো ছিল কিংসের। বিরতি থেকে ফেরার ৫ মিনিটের মাথায় ব্যবধান বাড়ায় কিংস।

রাউল, রবসনের পর এবার স্কোর শিটে নাম লেখান আরেক লাতিন জনাথান ফার্নান্দেস। নিজেদের ডি বক্স থেকে রাউল বেসেরা পাস দেন জনাথন ফার্নান্দেজকে। ব্রাজিলিয়ান এ ফরোয়ার্ড অনেকটা পথ ড্রিবলিং করে পাস দেন বিশ্বনাথকে। তার ক্রসে ধরে ডি বক্সের ভিতর থেকে কোনাকুনি শটে গোল করেন ফার্নান্দেজ।

তিন গোলে পিছিয়ে পড়ে ম্যাচ থেকে এক প্রকার ছিঁটকেই যায় মোহামেডান। ৮০তম মিনিটে নিজেদের ডি-বক্সে জনাথন ফার্নান্দেজকে ফাউল করে বসে জাফর ইকবাল। সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। এরপর স্পট-কিকে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন রাউল বেচারার। পরে অবশ্য আর কোনো গোল শোধ দিতে না পারায় ৪-১ গোলে হেরে মাঠ ছাড়ে লেনের শিষ্যরা।

Facebook Comments

উত্তর দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here